বাংলাদেশে এই প্রথম মোবাইল ফোনে প্রশিক্ষণ সুযোগ নিয়ে আসছে ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশনে’র ই লার্নিং পদ্ধতি

Washington Bangla
By Washington Bangla January 29, 2017 05:54

বাংলাদেশে এই প্রথম মোবাইল ফোনে প্রশিক্ষণ সুযোগ নিয়ে আসছে ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশনে’র ই লার্নিং পদ্ধতি

এ্যন্থনী পিউস গমেজ, ভার্জিনিয়া : ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশন’ (McWeadon Education) এই প্রথম বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে আসছে একটি অনন্য প্রশিক্ষণ সুযোগ- হাতের নাগালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে “ই লার্নিং” পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ। এটা আধুনিক প্রযুক্তির একটি অতি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। যে সুযোগ এতদিন পর্যন্ত শুধু মাত্রই তাদের নাগালের মধ্যে ছিল যাদের আর্থিক সামর্থ্য আছে, আজ যুগের পরিবর্তনে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে তা চলে এসেছে সাধারণ মানুষের হাতের কাছে এবং তা সম্ভব হবে ম্যাকউইডেনের “ই লার্নিং” পদ্ধতির মাধ্যমে সাধারণ জনগনের মোবাইল ডিভাইসে। “ই লার্নিং” মূলতঃ পেশাগত বা জীবনভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহনের একটি যুগান্তসৃষ্টিকারী গেইটওয়ে- যেখানে সামর্থ্যকে পেড়িয়ে সহজলভ্যভাবে স্বল্প খরচে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য, সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগানো সম্ভব । সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এই “ই লার্নিং” পদ্ধতি বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সহায়ক হবে এবং ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এই “ইলার্নিং” পদ্ধতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের হাতের আধুনিক মোবাইল ফোনে সীমিত আয়ের মাধ্যমেই অতি সহজে নামমাত্র মূল্যে জীবনভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে নিজেকে পেশাদারী কাজের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারবে বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির পরিবর্তন এনে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এক যুগোপযোগী যাত্রা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর স্থপতি, রূপকার জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের উদ্যোগে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই স্বপ্নের মূল উৎস, মুল অনুপ্রেরণা। ডিজিটাল বাংলাদেশ আন্দোলনের অংশ হিসেবে কমিউনিকেশন অ্যান্ড কানেকটিভিটির মাধ্যমে বিশ্বকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগঞ্জের মানুষের দোর গোড়ায় নিয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে… এগিয়ে চলছে ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা। আর এই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনের সাথে একাত্মতা উপলব্ধি করে ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশন’-এর এই “ই লার্নিং” পদ্ধতির মাধ্যমে মোবাইল ডিভাইসে প্রশিক্ষণ প্রদান উদ্যোগ মূলতঃ দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রত্যাশায়।স্বদেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন প্রত্যাশায় যাদের নেতৃ্ত্বে এবং পরিচালনায় এগিয়ে চলছে ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশন’-এর এই মহতী কার্যক্রম, তারা হলেনঃ ডঃ বদরুল হুদা খান রেদোয়ান চৌধুরী এ্যন্থনী পিউস গমেজ, প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট সিইও, ম্যাকউইডেন এডুকেশন নির্বাহী পরিচালক, ম্যাকউইডেন এডুকেশন গ্লোবাল অপারেশন্স বাংলাদেশ অপারেশন্স ফয়সল কাদের আরিফুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক মিডিয়া সমন্বয়ক সাইবার সিকিউরিটি, গ্লোবাল অপারেসন্স বাংলাদেশ অপারেশন্স ই লার্নিং পদ্ধতিতে দেশের সাধারণ জনগনকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিনত করে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নদ্রষ্টা ডঃ বদরুল হুদা খান বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হলে তাদের সহজলভ্য পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজের একজন দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর তা করতে হলে ই-লার্নিংকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসতে হবে যাতে তারা নিজেদের গড়ে তোলার সহজ সুযোগ পান। ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশন’-এর মাধ্যমে আমাদের দেশের এবং প্রবাসের পেশাগত কাজে এবং প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে স্বনামধন্য, অভিজ্ঞ এবং আত্মনিবেদিতপ্রান মানুষগুলো এই প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। যেমন বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষা সচিব, দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাবেক ব্যক্তিগত সচীব, সাবেক প্রকল্প পরিচালক- “সাপোর্ট টু ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রোগ্রাম”-এর জনাব নজরুল ইসলাম খান- তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে এগিয়ে এসেছেন। তাই জীবনভিত্তিক প্রশিক্ষণ সুযোগ সহজে নামমাত্র মূল্যে তাদের হাতের নাগালে নিয়ে আসার মাধ্যমেই শুধু এই দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব। এছাড়াও পেশাদারদের জন্য অব্যাহত শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রয়োজন (Continuing Education for Professionals) – আর ‘ম্যাকউইডেন’-এর এই “ই লার্নিং” উদ্যোগ সেই কাজটি, সেই গুরু দায়িত্বটিই হাতে নিয়েছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য জীবনভিত্তিক, পেশাগত কাজে সহায়ক এবং উপযোগী বিষয়ের উপড় প্রশিক্ষণ দিতে চান বা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করতে চান, তাদেরকে আমাদের সাথে নিম্নোক্ত ইমেইল-এ যোগাযোগ জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

জনাব নজরুল ইসলাম খান- প্রশিক্ষক, ক্ষুদ্র ব্যবসা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ (Empowering Entrepreneurs)। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ এমনিতেই সুবিধা বঞ্চিত, কিন্তু সবচেয়ে বেশী সুবিধাবঞ্চিত আমাদের তরুনীরা বা মহিলাগন। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত এবং পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ৮৪% তরুনীরা কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত এবং গ্রামাঞ্চলে কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে নিজেদের গড়ে তোলার তেমন সহজলভ্য প্রশিক্ষণ সুযোগও নেই, অথচ এদের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করা সম্ভব, যারা নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। ম্যাকউইডেন এডুকেশন এবার প্রশিক্ষণ সুযোগ নিয়ে আসছে এইসব সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য, বিশেষ করে আমাদের নারীদের ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া (Women Empowerment) আরও জোরদার করার জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বিরাট অবদান রাখবে বলে ম্যাকউইডেন এডুকেশনের কর্মকর্তারা আশাবাদী।

ই লার্নিং-এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে প্রশিক্ষণ যাতে শিক্ষার্থীদের মনোপযোগী এবং বিশ্বমানের হয়, সেজন্য ডঃ বদরুল খান প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে A2I-এর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথম বাংলায় “ই লার্নিং – উন্মুক্ত শিক্ষণ পরিবেশ” বই বের করেছেন। আমাদের শিক্ষার্থীরা খুব অনুসন্ধিৎসু মনের অধিকারী – তারা খুব জানতে ও শিখতে চায়- আমাদের উচিত তাদেরকে সর্বাত্মক সাহায্য করা – সঠিক প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো ব্যবস্থার মাধ্যমে। ওরা অনেক উন্নতির পথে অগ্রসর হবে। এই বইয়ের উপর ভিত্তি করে McWeadon.com বিভিন্ন বিষয়ে ই লার্নিং কোর্স এবং পেশাদারী সার্টিফিকেট প্রোগ্রাম চালু করছে যাতে ই লার্নিং-এর বিভিন্ন কৌশলের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ শিখন পরিবেশ তৈরীতে সহায়ক হয়।
২০১৭ সালের প্রথম পর্যায়ে যেসব বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছেঃ
১। ক্ষুদ্র ব্যবসা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ (Empowering Entrepreneurs):
নজরুল ইসলাম খান (সাবেক শিক্ষা সচীব, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার)।

২। সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security):
ফয়সল কাদের (প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট- টেকনাফ, এলএলসি)

৩। গ্র্যান্ট রাইটিং (Grant Writing):
রেদোয়ান চৌধুরী (প্রতিষ্ঠাতা এবং সি,ই,ও- উদয়ন ফাউন্ডেশন)।

৪। সমাজ উন্নয়নে সাংবাদিকতা (Journalism & Social Development):
এ্যন্থনী পিউস গমেজ (সাংবাদিক, কলামিষ্ট, সম্পাদক)।
৫। ইংরেজী কথোপোকথন (Spoken English):
মৈত্রেয়ী নায়েক (আই,টি, সাইবার সিকিউরিটি, ব্যাঙ্ক অব আমেরিকা)।

উল্লেখ্য, জীবনভিত্তিক পেশাগত প্রশিক্ষনের জন্য আরও কোর্স আসছে, অতিশীঘ্র ঘোষণা করা হবে। সারাদেশে ওয়াই-ফাই জোনে কানেকটিভিটির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এবং ছাত্র-ছাত্রীরা কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কিছুই সম্পন্ন করছে। গড়ে উঠছে আইটি সিটি, আইটি পার্ক। দেশের পিছিয়ে পড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলকে আলোকিত করে তোলা হচ্ছে, মানুষ আজ ব্যপকভাবে ব্যবহার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং এগিয়ে চলছে বিশ্বায়নের পথ ধরে সামনের দিকে। এক সময় যা আমাদের কল্পনায় বা স্বপ্নেও ছিলনা, আজ তা বাস্তব এবং আমাদের চারপাশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায়। প্রগতিশীল এই উন্নয়ন ধারায় সাধারণ মানুষের জন্য মোবাইল ফোনে বা সামাজিজ যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ‘ম্যাকউইডেন এডুকেশন’র এই ‘ই-লার্নিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং যুগোপযোগী। আর বিশেষভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উপর সাধারণ মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করার জন্য অত্যন্ত সহজ সরলভাবে এই প্রশিক্ষণ প্রনালী (Instructional Design Techniques and Strategies) প্রস্তুত করা হয়েছে শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের (Educational Techologists) পরামর্শ নিয়ে। আর এই জীবনভিত্তিক বাস্তব শিক্ষার জন্য সাধারণ মানুষের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করেই শিক্ষা কার্যক্রম নির্ধারন করা হয়েছে, যেখানে জীবিকা অর্জনের জন্য নিজেকে গড়ে তোলার জন্য- যে কেউ যে কোন সময় যে কোন জায়গায় থেকে নিজের সুবিধামত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নামমাত্র মূল্যে এই প্রশিক্ষণ গ্রহন করে অতি সহজেই পেশাগত কাজের জন্য নিজেকে একজন দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাবে এবং জীবিকা নির্বাহ করে তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে। সেইজন্যই “ম্যাকউইডেন”র এই স্লোগান- “Learning Without Boundaries” । ‘ম্যাকউইডেন’র “ই লার্নিং” পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণের যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, তাতে করে সাধারণ জনগন যেসব সুবিধাদি পাবে, তা হলঃ

১। হাতের কাছে মোবাইল ফোনে “ই-লার্নিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ গ্রহন।
২। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে প্রশিক্ষণের সুযোগ।
৩। অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে প্রশিক্ষণ গ্রহনের সুযোগ।
৪। নিজের সুবিধা অনুযায়ী যে কোন সময় যে কোন জায়গায় প্রশিক্ষণ গ্রহন।
৫। জীবনভিত্তিক বাস্তব দক্ষতা অর্জনের সহজ সুযোগ।
৬। পেশাগত দক্ষতা বা ক্ষুদ্র ব্যবসা স্থাপন বা সম্প্রসারণের জন্য জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ।
৭। অভিজ্ঞ এবং অত্যন্ত দক্ষ প্রশিক্ষকের দ্বারা অতি সহজে বোধোগম্য শিক্ষা পদ্ধতি।
৮। নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিজেদের গড়ে তোলার সহজ সুযোগ।

আসুন, আমরা আমাদের সাধারণ প্রান্তিক মানুষদের দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য যথাসাধ্য প্রয়াস অব্যাহত রাখার চেষ্টা করি। আমরা একাই পুরো অবস্থার রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারবো না, কিন্তু সবাই মিলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগ অব্যাহত রেখে আমরা নিশ্চিতভাবে পারি উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এবং এর অংশীদার হতে। আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাই হোক অগ্রগতির সোপান……… বিন্দু বিন্দু জল থেকে যেমনি সিন্ধুর জন্ম, তেমনি অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার সমন্বয়ে গড়ে উঠবে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের এক বিশাল আন্দোলন।
আমরা সেই সুদিনের প্রতীক্ষায় থাকবো, যেদিন আমাদের সাধারণ মানুষের জীবনে আসবে সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকার নূন্যতম সঙ্গতি, মানুষের মলিন মুখে ফুটে উঠবে পরিবার-সন্তান নিয়ে ভালভাবে বেঁচে থাকার আনন্দ, তাদের চোখ জুড়ে থাকবে তাদের সন্তানদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন- গড়ে উঠবে একটি সোনার বাংলাদেশ! ম্যাকউইডেন ই-লার্নিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য নিম্নোক্ত ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব লিঙ্কগুলো ভিসিট করুনঃ
http://McWeadon.com

https://www.facebook.com/search/top/?q=mcweadon%20education

http://youtube.com/mcweadon

আমাদের সাথে যোগাযোগের জন্য ইমেইল ঠিকানাঃ
McW@McWeadon.com

(3)

Washington Bangla
By Washington Bangla January 29, 2017 05:54